বিজয় দিবস হকিতে আবাহনীই সেরা

ডিসেম্বর ২৩, ২০১৩ ৫:৫৩ পূর্বাহ্ণ

বিজয় দিবস হকিতে আবাহনী লিমিটেডই সেরা। যার প্রমাণ তারা দিয়েছে। সোমবার মওলানা ভাসানী জাতীয় হকি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত আসরের ফাইনালে আবাহনী ৭-১ গোলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে বিধ্বস্ত করে বিজয় দিবস হকির শিরোপা জয় করেছে। বিজয়ী দলের পুষ্কর ক্ষিসা মিমো ও আশরাফুল দু’টি করে এবং খোরশেদুর রহমান, শেখ মো. নান্নু ও হাসান যুবায়ের নিলয় একটি করে গোল করেন। সেনাবাহিনীর পক্ষে একমাত্র গোলটি করেন মিলন হোসেন। টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জেতেন আবাহনীর আশরাফুল ইসলাম এবং ৯ গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার পান সেনাবাহিনীর আব্দুল মালেক। ফাইনাল শেষে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন এটিএন বাংলার চেয়ারম্যান ড. মাহফুজুর রহমান। এ সময় ওয়ালটনের অতিরিক্ত পরিচালক এফএম ইকবাল বিন আনোয়ার, হকি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক খাজা রহমতউল্লাহ ও টুর্ণামেন্ট কমিটির সম্পাদক আনভীর আদিল খান উপস্থিত ছিলেন।
এক বছর বিরতিতে আবার বিজয় দিবস হকির শিরোপা আবাহনীর ঘরে উঠলো। এর আগে ২০১১ ও ১৯৯১ সালে আবাহনী বিজয় দিবস হকির শিরোপা জয় করেছিলো। আর এই প্রতিযোগীতার পাঁচবারের রানার্সআপ সেনাবাহিনী বিজয় দিবস হকির প্রথম আসর (১৯৮১ সাল) ছাড়া আর কোনটাতেই  শিরোপার দেখা পায়নি। এবারের বিজয় দিবস হকির গ্রুপ পর্বে সেনাবাহিনী ৪-১ গোলে আবাহনীকে হারিয়েছিলো। ফাইনালে আবাহনী  গ্রুপ পর্বের হারের প্রতিশোধ নিয়ে শিরোপা জয় করলো।
ম্যাচ শেষে আবাহনীর কোচিং ইন্সট্রাক্টর ও সাবেক জাতীয় কোচ মাহবুব হারুন বলেন, ‘এক আসর পর আমরা আবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছি। খুব ভালো লাগছে। ছেলেদের যেভাবে খেলতে বলেছিলাম, তারা সেভাবেই খেলেছে। ওরা আমার ও কোচ জুম্মন লুসাইয়ের পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলেছে। তাই শিরোপার স্বাদ পেরেছে। এই জয় ক্লাব কাপে কাজে লাগবে। দল উজ্জীবিত হয়ে ক্লাব কাপেও ভালো করবে বলে আমি আশাকরি।’ তিনি আরো বলেন, ‘ফাইনালে আমরা হিট অ্যান্ড রানে খেলেছি। সেনাবাহিনীও ভালো দল। তবে ওরা কৌশলগত দিক দিয়ে আমাদের চেয়ে পিছিয়ে ছিল। যে কারণে বড় ব্যবধানে হেরেছে।’
সেনাবাহিনীর কোচ জামাল হায়দার পরাজয়ের কারনে বলেন, ‘মাঝ মাঠের সাব্বির রানা ও জামাল খান ইনজুরিতে থাকায় খেলতে পারেনি। যার জন্য পার্থক্য বেশি হয়েছে। শেষ চার মিনিটে তিন গোল মেনে নেয়া যায় না। খেলোয়াড়দের মানসিক অস্থিরতা ও ম্যাচ হারার প্রধান কারণ ছিল দ্বিতীয় গোলটি। যা আবাহনীর পুস্কর ক্ষিসা মিমোর পায়ে লেগে গোল হয়। আম্পায়ররা কিভেবে এমন সিদ্ধান্ত দিলেন তা বোধগম্য নয়। অথচ দুজনেই বাংলাদেশের নামী আম্পায়ার। তারা মিমোর পায়ে বল লাগার বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে সরাসরি গোলের বাশি দিয়েছেন। তাই পরবর্তীতে আমরা মানসিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ি। ওটাই ছিল আবাহনীর বড় জয়ের টার্নিং পয়েন্ট। আবাহনী বেশ শক্তিশালী দল। তাদের বিপক্ষে জয় পাওয়া কঠিন হলেও অসম্ভব ছিল না।’

Share on Facebook
সম্পাদক মন্ডলীর চেয়ারম্যান ॥ মোঃ দেলোয়ার হুসেন শরীফ, সম্পাদক ॥ আনোয়ার হোসেন
উপজেলা মোড়, টেনিস কোর্ট রোড, ৫৯ মাষ্টার বাড়ি, ঢাকা।
সংবাদঃ ০১৭১১৩২৪৬৬০ বিজ্ঞাপনঃ ০১৯১১২৪৫৬১৬
ই-মেইল ॥ news@playingnews.com
খেলা পাগল মানুষদের কথা চিন্তা করেই দেশী-বিদেশী সকল ...
খেলাধূলার খবর